বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

Need money (টাকা চাই)

দিন যায় রাত আসে অবিরাম গতিতে,
টাকা - পয়সা দেখা দিয়েই চলে যায় স্মৃতিতে। 

কেনা - কাটা, ধার - শোধ, কত থাকে জবানী,
যেই আসে কুড়ি তারিখ, ভাঁড়ে মা ভবানী। 

উপায় ঠিক বার করেছি, করি চিন্তার বিন্যাস,
সংসার ছেড়ে দিয়ে, নিয়ে নাও সন্যাস। 

জগতের পাপিরা হবে তোমার শিষ্য -
সোনা - দানা দান করে হয়ে যাবে নিঃস্ব। 

গেরুয়া বসন পরে প্লেনে - টেনে ঘুরবে ,
প্লেন থেকে নেমে ফের বড় গাড়ি চড়বে। 

খরচা - পাতি ওরা দেবে, আর কি চিন্তা ?
সাধু সেজে নাচো খালি ধেই - ধেই - ধিনতা। 

যদি পারো বেচতে যোগ ব্যায়াম, নিঃশ্বাস,
বড়লোক হবে ঠিক এই মোর বিশ্বাস। 

রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

Thoughts (চিন্তা)


সেদিন সন্ধ্যাবেলা ব্যালকনিতে বসে হঠাৎ আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখি প্রচুর তারা। কোলকাতা শহরে থেকে আকাশে তারা দেখা প্রায় অসম্ভব। সেদিন বোধ হয় কোনো  কারণে আবহাওয়া খুব পরিষ্কার ছিল তাই এতো তারা দেখা  যাচ্ছিলো।

দেখতে দেখতে মনে পড়ে গেল ছোটবেলাকার কথা, চিত্তরঞ্জনে রেলওয়ে কোয়াটারের  বাগানে গরমকালে তক্তপোষে শুয়ে বাবার  সাথে  আকাশ দেখতাম - তার কথা। তখন আকাশ অনেক পরিষ্কার থাকত আর ঝিলমিল করতো তারায়।

"ওই দেখ কালপুরুষ", "ওটাকে বলে সপ্তর্ষী মন্ডল",  বাবা শেখাতেন। তার  সাথে  শুনেছিলাম সেই  সপ্তর্ষীদের গল্প। শুয়ে শুয়ে ভাবতাম একদিন যাব ওই তারা মন্ডলে।  মাঝে মাঝে এক ফালি ঝলমলে তারা  দেখা যেত যেটা জেনেছিলাম "Milky way " হিসেবে। অবাক  হয়ে চেয়ে  থাকতাম। তারার  সাথে দুধের  সম্পর্কটা আজও বুঝিনি।

দু - একবার হয়ত উপগ্রহও দেখেছিলাম গতিমান তারা হিসেবে।

আজ জানি সেই তারাগুলো  কত দূরে। মানব ইতিহাসে কত গল্পই না  রচনা হয়েছে এই তারা আর আকাশ নিয়ে।  কত  কবিতা। কত  নাম - নক্ষত্র, নীহারিকা, আরও কত  কি।

এই দূরত্ব ভাবতে গেলে "অসীম, অনন্ত" ছাড়া আর কিছু  ভাবা যায়না। তাই তো আমরা "ব্রহ্মাণ্ড" বলি।
***

হঠাৎ মোবাইল বেজে  উঠলো।  গিয়ে দেখি charging শেষ।  গোটা  কতক মেসেজ এসে ঢুকেছে।
আবার ফিরে গেলাম রোজকার গতানুগতিক জীবনে। তারার  কথা ভাবা  যাবে অন্য  কোন  দিন - ফোনের আবার চার্জ ফুরিয়ে গেলে।