রবিবার, ২৮ জুন, ২০২০

বর্ষার দিনে (On a rainy day)

নিষেধের বেড়ার আর কতদিন বাকি,
অলস মন দেয় সব কাজে ফাঁকি,
ঘন বর্ষার দিনে তাই জানালায় বসে -
শুধু বর্ষার রূপ দেখি মনের হরষে।

কালো মেঘের ঘটা দেখি আঁধার দিবসে,
আনন্দে ওই নভোচর ওড়ে আকাশে,
দামাল হাওয়ায় দুলে বনরাজি জাগে -
বারিধারা নাচে মেঘমন্দ্রিত রাগে।





রবিবার, ১৪ জুন, ২০২০

কি মুশকিল !! (What a problem !!)

আজ সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে দেখি চারিদিক মেঘে অন্ধকার, বৃষ্টি হব হব। মনটা আনন্দে নেচে উঠলো, ভাবলাম কিছু লিখি। প্রথমেই মনে হলো - "সকাল বেলার বাদল আঁধারে" - তারপর মনে হলো এটা তো উনি লিখে গেছেন, অতএব অন্য কিছু লিখতে হবে।

ইতি মধ্যে শুরু হলো বৃষ্টি, সাথে হাল্কা হাওয়া - বলে উঠলাম, "আবার কি এলো রে বাদল..."
ওঘর থেকে গিন্নী বলল, "তুমি গানটা জানো ? ওটা তো আমি গাই।"
"সে কি ? কার গান ?"
উত্তর এলো, "নজরুলের।"
বুঝলাম কেন কথাগুলো অত সহজে মনের মধ্যে নেচে উঠেছিল।

নাঃ ! নতুন কিছু লিখব.... ভাবতে ভাবতে বৃষ্টি থেমে গেল, মেঘের কোলে রোদ হাঁসলো - এই দেখেছো ?
আবার উনি ঢুকে পড়লেন !! ওনাকে বাদ দিয়ে লিখতে হবে - দূরে কিছু ব্যাঙ ডাকা শুরু করলো - তা ব্যাঙ দিয়ে তো বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের কবিতা হয়, তার ওপরে উঠতে গেলে অন্য কিছু চাই।

এমন সময়ে আবার এলো বৃষ্টি ঝমঝমিয়ে।  কত কথা মনে ভেসে এলো, সবই দেখি ওই পাঁচ কবির মধ্যে কারুর না কারুর লেখা। বেশ বুঝতে পারলাম যে ওনাদের পরে বাংলা ভাষায় বৃষ্টি, মেঘ, মেঘের গভীরে ডমরুর আওয়াজ নিয়ে লেখার জন্য যা পড়েছিল, সেটা জীবনান্দ, পুলক জেঠুর মত  আরও কিছু কবি লিখে ফেলেছেন। আমাদের মত লেখক, (খক-খক ও বলা যেতে পারে ) যাদের প্রতিভার জায়গায় প্রতিভার হাল্কা আভা আছে মাত্র, তাদের পক্ষে সাহিত্য রচনা করা বেশ কষ্টকর ব্যাপার।

অন্য কোনদিন চেষ্টা করবো। অন্য বিষয় নিয়ে।





শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২০

বর্ষা কি এল ? (Have the rains arrived ?)

জ্যৈষ্ঠ মাসেই নামল বর্ষা
মেঘের আঁচল ধরে,
ভেসে উঠল সেই সোঁদা গন্ধ
শ্যামল বনানী ভরে।

ভিজে পাতায় নাচন লাগে,
বাজে মেঘের গুরু গুরু -
আষাঢের তো এখনও দেরি
বর্ষা সত্যি হলো শুরু ?

জলের পরশে মনের হরষ
বাড়বে কি চারিদিকে ?
তাই যদি হয় তো খুবই ভাল
এই বর্ষা যেন থাকে।


১২ জুন ২০২০